শিরোনাম: নতুন স্বপ্নের দিগন্তে জেভিয়ার্স
তাপস রায়, তাপস রায়সেন্ট জেভিয়ার্স ইউনিভার্সিটি, কলকাতা আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে সপ্তম সমাবর্তন আয়োজন করতে চলেছে, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রোমে অবস্থিত জেসুইটদের সুপিরিয়র জেনারেল রেভ. ড. আর্তুরো সোসা, এস.জে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিজিটর ও পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় রাজ্যপাল ড. সি. ভি. আনন্দ বোসও অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। রেভ. ড. জন ফেলিক্স রাজের নেতৃত্বে ২০১৭ সাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় জুড়ে চলছে ব্যাপক রূপান্তর—আধুনিক শ্রেণিকক্ষ, ল্যাবরেটরি, লাইব্রেরি, মুট কোর্টসহ দ্বিতীয় একাডেমিক ভবনের কাজ শেষ পর্যায়ে এবং অবকাঠামো উন্নয়নে ইতিমধ্যেই ব্যয় হয়েছে প্রায় ৫৫০ কোটি টাকা। নির্মীয়মাণ প্রধান অডিটোরিয়ামে ২০০০, এবং দুটি ছোট অডিটোরিয়ামে যথাক্রমে ৬০০ ও ৩০০ জনের আসন ব্যবস্থা থাকবে। পরিকল্পনায় রয়েছে ৭৫ কক্ষের এমডিপি ব্লক, দু’টি সুইমিং পুল এবং শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিকাশে নতুন সুযোগ। ২০২৬ সাল থেকে চালু হতে যাচ্ছে বি.টেক., পরবর্তীতে এমটেক; পাশাপাশি ইন্টিগ্রেটেড এমবিএ, ইন্টিগ্রেটেড বি.এড., স্কুল অফ ডিজাইন, স্কুল অফ নার্সিং এবং একটি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। কর্পোরেট সেক্টরে জনপ্রিয় এক্সিকিউটিভ এমবিএর সঙ্গে আসছে ব্লেন্ডেড মোডের এক্সিকিউটিভ এমবিএ ও হাসপাতাল ম্যানেজমেন্টে নতুন এমবিএ কোর্স। ২০২৬ সালের NAAC মূল্যায়নকে সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রতি সম্পন্ন করেছে ষষ্ঠ একাডেমিক ও প্রশাসনিক অডিট, এবং বাইনারি NAAC-এর নির্দেশিকা অনুযায়ী নথিপত্র প্রস্তুতি চলছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম চালু করে SXUK পূর্ব ভারতের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে শিক্ষণ-শেখার আধুনিক পদ্ধতিতে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে, যা যুক্তরাজ্যভিত্তিক Shiksak-এর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে গড়ে উঠেছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ভিশন ২০৩০’-এর ১০,০০০ শিক্ষার্থীভর্তির লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। একই সঙ্গে শুরু হয়েছে নার্সিং ও মেডিকেল কলেজের জন্য নতুন জমি অনুসন্ধান; রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে প্রথমে যৌথ নার্সিং কলেজ, পরে পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
