InShot 20260121

কোন উপসর্গে অ্যাওর্টিক রোগের বিপদ লুকিয়ে?

নিঃশ

তাপস রায়,কলকাতা, ২১ জানুয়ারি ২০২৬: মানবদেহের বৃহত্তম ধমনী অ্যাওর্টা আজ বিশ্বজুড়ে একটি স্বতন্ত্র ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হিসেবে নতুন করে স্বীকৃতি পাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে নারায়ণা আরএন টেগোর হাসপাতাল, মুকুন্দপুরে জটিল ও অতি-জটিল অ্যাওর্টিক রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ক্রমশ বাড়তে থাকায় চিকিৎসক মহল অ্যাওর্টিক স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ মনোযোগ ও সচেতনতার আহ্বান জানিয়েছেন।

চিকিৎসকদের মতে, অ্যাওর্টিক অ্যানিউরিজম বা ডিসেকশনের উপসর্গ অনেক সময় হার্ট অ্যাটাকের মতো হওয়ায় প্রায় ৩০ শতাংশ ক্ষেত্রে ভুল রোগনির্ণয় হয়। অথচ তীব্র অ্যাওর্টিক সমস্যায় প্রথম ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মৃত্যুঝুঁকি অত্যন্ত বেশি থাকে। তাই বুকে ব্যথা নিয়ে আসা রোগীদের ক্ষেত্রে শুরুতেই সিটি স্ক্যান ও ইকোকার্ডিওগ্রাফির মতো ইমেজিং অত্যন্ত জরুরি।

হাসপাতালের বিশেষজ্ঞরা জানান, এই রোগ শুধু বয়স্কদের মধ্যেই নয়, বর্তমানে ৩০–৪০ বছর বয়সী ব্যক্তিদের মধ্যেও বাড়ছে। অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ, ধূমপান, জন্মগত ভাল্‌ভের ত্রুটি ও কিছু ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থা ঝুঁকি বাড়ায়। মাল্টিডিসিপ্লিনারি চিকিৎসা, উন্নত ইমেজিং ও সময়োপযোগী হস্তক্ষেপের মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রেই প্রাণ বাঁচানো সম্ভব।

চিকিৎসকদের সতর্কবার্তা—হঠাৎ বুকে বা পিঠে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট কিংবা অস্বাভাবিক রক্তচাপকে কখনও অবহেলা করা উচিত নয়। সময়মতো সচেতনতা ও সঠিক রোগনির্ণয়ই অ্যাওর্টিক রোগে জীবন রক্ষার মূল চাবিকাঠি।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *