এবার যোদ্ধাদের সম্মাননায় মণিপাল!

তাপস রায়,ঢাকুরিয়া, ২১ মে: ওভেরিয়ান ক্যানসার সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ক্যানসার যোদ্ধাদের অদম্য লড়াইকে সম্মান জানাতে মণিপাল হাসপাতাল, ঢাকুরিয়া আয়োজন করল বিশেষ সচেতনতামূলক সভা — “প্রতিটি দাগ শক্তির এক একটি গল্প বলে”। ওভেরিয়ান ক্যানসার সচেতনতা মাস উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন ক্যানসার থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগী, তাঁদের পরিবার, চিকিৎসক এবং বিভিন্ন সংগঠনের প্রবীণ সদস্যরা।অনুষ্ঠানে চিকিৎসকরা ওভেরিয়ান ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণ, দ্রুত রোগ নির্ণয়, আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি এবং মানসিক দৃঢ়তার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, পেট ফাঁপা, অস্বস্তি, খাওয়ার অভ্যাসে পরিবর্তন বা অকারণে দুর্বলতা— এই ধরনের সাধারণ উপসর্গকে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।চিকিৎসকদের বক্তব্যে উঠে আসে, বর্তমানে কম বয়সি মহিলাদের মধ্যেও ওভেরিয়ান ক্যানসারের প্রবণতা বাড়ছে। তবে আধুনিক চিকিৎসা, কেমোথেরাপি, টার্গেটেড থেরাপি এবং ব্যক্তিকেন্দ্রিক চিকিৎসা ব্যবস্থার ফলে রোগ মোকাবিলায় ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। পাশাপাশি রোগীর মানসিক শক্তি ও পরিবারের সমর্থনও সুস্থতার পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।অনুষ্ঠানে নিজের লড়াইয়ের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন স্টেজ ফোর ওভেরিয়ান ক্যানসারকে হারিয়ে ফেরা ৬২ বছর বয়সি রিনা ঘোষ। তিনি জানান, কঠিন অস্ত্রোপচার, অনিশ্চয়তা এবং শারীরিক কষ্টের মধ্যেও সাহস ও পরিবারের পাশে থাকার শক্তিই তাঁকে নতুন জীবন ফিরে পেতে সাহায্য করেছে।চিকিৎসকদের বার্তা স্পষ্ট— শরীরের অস্বাভাবিক লক্ষণকে অবহেলা নয়, সচেতনতা ও সময়মতো চিকিৎসাই ওভেরিয়ান ক্যানসারের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অস্ত্র।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *