রাখী বন্ধনের পুণ্য তিথিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি; শিল্প-সংস্কৃতির প্রসারে জাতীয় শাখার দায়িত্বে শিল্পী পাল
কলকাতা প্রেস ক্লাব: রাখী বন্ধনের পুণ্য তিথিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল বসুধা কল্যাণ আশ্রম পরিবার। একই মঞ্চে আত্মপ্রকাশ করল সংগঠনের জাতীয় শিল্প ও সংস্কৃতি শাখা ‘কল্যাণ ভারতী’। আধ্যাত্মিক সাধনা, সমাজসেবা, পরিবেশ সচেতনতা এবং ভারতীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে একসূত্রে বেঁধে এগিয়ে যাওয়ার বার্তাই উঠে আসে অনুষ্ঠানে।

অনুষ্ঠানে প্রধানভাবে উপস্থিত ছিলেন পরম পূজ্য গুরুদেব আচার্য শ্রী পাবন মহারাজ জি, গুরু মা মনোরমা জি এবং সাধিকা সংহিতা দি। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শ্রীমতী স্বর্ণালী মিত্র জি।বিশিষ্ট অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমতী শিল্পী পাল, শুভ্রাংশু ঘোষ ও সত্যজিৎ রায়—রিপোর্টার, দেবেশ্বর কুমার—জাতীয় সভাপতি, শ্রী তরুণ মিত্র প্রজ্ঞা পরিষদ, শ্রী রমেশ কুমার—জেলা সভাপতি, শ্রী তরুণ মিত্র প্রজ্ঞা পরিষদ, শ্রী বিকাশ সিনহা, শ্রী সঞ্জয় মহেশ—সম্পাদক, উত্তর কলকাতা বিজেপি, শ্রী দেবাশীষ পাইন—সদস্য, বিজেপি রাজ্য কমিউনিটি এবং বিশিষ্ট সাংবাদিক মৃত্যুঞ্জয় রায়। উপস্থিত অতিথিদের অঙ্গবস্ত্র ও স্মারক দিয়ে সম্মানিত করা হয়।

সরস্বতী বন্দনার পর মা সরস্বতীর মূর্তি দিয়ে সম্মানিত করা হয় শিল্পী পালকে। এরপর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কল্যাণ ভারতী’র দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।দ্বৈত দায়িত্বে শিল্পী পাল।শিল্পী পালকে একই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে বসুধা কল্যাণ আশ্রম পরিবারের সভাপতি এবং ‘কল্যাণ ভারতী’র জাতীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে।অনুষ্ঠানে আচার্য শ্রী পাবন মহারাজ জি বলেন, “বাংলার মাটি বহুদিন ধরেই আমার আধ্যাত্মিক সাধনার ভূমি, আর এখন বসুধা কল্যাণ আশ্রম পরিবারের বিভিন্ন সেবামূলক কাজের মাধ্যমে তা আমার কর্মভূমি হয়ে উঠছে।”

তিনি জানান, ‘কল্যাণ ভারতী’ ভারতীয় শিল্প, সঙ্গীত, সাহিত্য, নৃত্য ও লোকঐতিহ্যের সংরক্ষণ এবং প্রসারে কাজ করবে। পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা বঞ্চিত ও প্রতিভাবান শিল্পীদের সামনে এগিয়ে আসার সুযোগ করে দিতে একটি বৃহত্তর সাংস্কৃতিক মঞ্চ গড়ে তোলাই হবে এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।

বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সূচিত এই নতুন অধ্যায়ে পরিবেশ রক্ষা, মানবসেবা এবং ভারতীয় শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশ—এই তিন ক্ষেত্রকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে বসুধা কল্যাণ আশ্রম পরিবার।
