Saturday, 24 October 2026
Latest
● দেশভাগের স্মৃতি, শিকড়ের টানে দুর্গাপুজো ● পুজো পরিক্রমায় বাংলার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সম্মানিত করল জেআইএমএসএইচ ● ● নামমাত্র সময়ে সিটি স্ক্যান, 'সুরক্ষা' এবার মুকুন্দপুরে ● সব পক্ষই দেবী পক্ষে, আলিমুদ্দিনের চণ্ডীপাঠে! ● From mindfulness to dance, Loreto College puts mental health in focus ● নাচে-গানে স্বপ্নজয়ের কাহিনি, প্রীতম কে নিয়ে তথ্যচিত্র ‘দ্য ড্যান্সিং মার্শিয়ান’ ● ● সম্মানের আসন মাঝে 'মানসীর রূপকথা ' ● দেবীপক্ষের শুরুতেই ৭৫০ জনকে বস্ত্রদান, মানবিকতার নজির কর্মা ট্রাস্টের ● ● ● দেশভাগের স্মৃতি, শিকড়ের টানে দুর্গাপুজো ● পুজো পরিক্রমায় বাংলার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সম্মানিত করল জেআইএমএসএইচ ● ● নামমাত্র সময়ে সিটি স্ক্যান, 'সুরক্ষা' এবার মুকুন্দপুরে ● সব পক্ষই দেবী পক্ষে, আলিমুদ্দিনের চণ্ডীপাঠে! ● From mindfulness to dance, Loreto College puts mental health in focus ● নাচে-গানে স্বপ্নজয়ের কাহিনি, প্রীতম কে নিয়ে তথ্যচিত্র ‘দ্য ড্যান্সিং মার্শিয়ান’ ● ● সম্মানের আসন মাঝে 'মানসীর রূপকথা ' ● দেবীপক্ষের শুরুতেই ৭৫০ জনকে বস্ত্রদান, মানবিকতার নজির কর্মা ট্রাস্টের ● ●

শিরোনাম: নীরবতা ভেঙে আলোয় ফেরার ডাক

তাপস রায়,কলকাতা , ১১ নভেম্বর ২০২৫: পুরুষ স্বাস্থ্য নিয়ে প্রচলিত নীরবতা ভাঙতে ও প্রোস্টেট–সংক্রান্ত রোগসহ শারীরিক ও মানসিক সমস্যায় সময়মতো চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরতে মণিপাল হাসপাতাল গ্রুপের একটি ইউনিট— মণিপাল হাসপাতাল ঢাকুরিয়া— আজ বিশেষ পুরুষ স্বাস্থ্য সচেতনতা সেশনের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের ডিরেক্টর দিলীপ কুমার রায়, যিনি স্বাগত ভাষণে জানান যে ভারতীয় সমাজে পুরুষরা পরিবারকে অগ্রাধিকার দিতে গিয়ে অনেক সময় নিজের শারীরিক সমস্যাকে অবহেলা করেন, ফলে গুরুতর রোগও দেরিতে ধরা পড়ে। সেশন পরিচালনা করেন ড. বাস্তব ঘোষ, সিনিয়র কনসালট্যান্ট ইউরোলজি ও ইউরো-অঙ্কোলজি, এবং সহেলী গাঙ্গুলি, কনসালট্যান্ট ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট। ড. ঘোষ বলেন, ৫০ বছরের পর পুরুষদের প্রোস্টেট স্ক্রিনিং অত্যন্ত জরুরি, কারণ উপসর্গ ধীরে বাড়ায় অনেকেই তা বয়সজনিত সমস্যা ভেবে এড়িয়ে যান; অথচ ভারতীয় উপমহাদেশে প্রোস্টেট ক্যানসার তুলনামূলকভাবে আগ্রাসী হওয়ায় দ্রুত শনাক্তকরণ চিকিৎসার ফলাফলকে অনেক উন্নত করে। একই সঙ্গে তিনি জানান, দেরিতে চিকিৎসা শুরু করার প্রবণতা রোগীর ঝুঁকি বাড়ায় এবং পুরুষদের বুঝতে হবে যে সময়মতো চিকিৎসা নেওয়া দুর্বলতা নয়, বরং দায়িত্ববোধ। এই অনুষ্ঠানে তিনজন অংশগ্রহণকারী— প্রণব সরকার, বিদ্যুৎ রায় ও রাজেশ ভট্টাচার্য— যাঁরা ড. ঘোষের তত্ত্বাবধানে প্রোস্টেট চিকিৎসার মধ্য দিয়ে গিয়েছেন, তাঁরা নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে জানান কীভাবে সঠিক নির্দেশনা তাঁদের সুস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। একটি বিশেষ আন্তঃআলাপ পর্বে উপস্থিত অংশগ্রহণকারীরা বাছাই করা প্রশ্নের মাধ্যমে একে অপরের অভিজ্ঞতা জানতে চান— প্রথম উপসর্গ বোঝা, চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার সিদ্ধান্ত, পরিবারের সমর্থন, মানসিক চাপ ও সুস্থতার পর জীবনযাপনের পরিবর্তন— যা সবার মধ্যে আস্থা ও পারস্পরিক সমর্থনের পরিবেশ সৃষ্টি করে। মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে সহেলী গাঙ্গুলি বলেন, সমাজের প্রত্যাশা পুরুষদের আবেগ প্রকাশে বাধা দেয়, ফলে তাঁরা সাহায্য চাইতে দ্বিধা করেন; বিচারহীন ও সহানুভূতিশীল পরিষেবা ছাড়া এই সংকট দূর করা সম্ভব নয়। তাঁর মতে, প্রোস্টেটেক্টমির পর কাউন্সেলিং দম্পতিদের মধ্যে যোগাযোগ ও মানসিক বোঝাপড়া বাড়িয়ে পুনর্বাসনকে সহজ করে। সেশনের শেষে স্থানীয় প্রবীণরা স্ক্রিনিংয়ের সময়সূচি, চিকিৎসার পর জীবনযাপন, মানসিক পরামর্শ ও পরিবারের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন করেন এবং বিশেষজ্ঞরা সহজ ভাষায় জানান যে নিয়মিত পরীক্ষা, খোলামেলা আলোচনা ও সচেতনতা— পুরুষদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা ফিরে পেতে সবচেয়ে কার্যকর পথ।