Saturday, 24 October 2026
Latest
● দেশভাগের স্মৃতি, শিকড়ের টানে দুর্গাপুজো ● পুজো পরিক্রমায় বাংলার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সম্মানিত করল জেআইএমএসএইচ ● ● নামমাত্র সময়ে সিটি স্ক্যান, 'সুরক্ষা' এবার মুকুন্দপুরে ● সব পক্ষই দেবী পক্ষে, আলিমুদ্দিনের চণ্ডীপাঠে! ● From mindfulness to dance, Loreto College puts mental health in focus ● নাচে-গানে স্বপ্নজয়ের কাহিনি, প্রীতম কে নিয়ে তথ্যচিত্র ‘দ্য ড্যান্সিং মার্শিয়ান’ ● ● সম্মানের আসন মাঝে 'মানসীর রূপকথা ' ● দেবীপক্ষের শুরুতেই ৭৫০ জনকে বস্ত্রদান, মানবিকতার নজির কর্মা ট্রাস্টের ● ● ● দেশভাগের স্মৃতি, শিকড়ের টানে দুর্গাপুজো ● পুজো পরিক্রমায় বাংলার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সম্মানিত করল জেআইএমএসএইচ ● ● নামমাত্র সময়ে সিটি স্ক্যান, 'সুরক্ষা' এবার মুকুন্দপুরে ● সব পক্ষই দেবী পক্ষে, আলিমুদ্দিনের চণ্ডীপাঠে! ● From mindfulness to dance, Loreto College puts mental health in focus ● নাচে-গানে স্বপ্নজয়ের কাহিনি, প্রীতম কে নিয়ে তথ্যচিত্র ‘দ্য ড্যান্সিং মার্শিয়ান’ ● ● সম্মানের আসন মাঝে 'মানসীর রূপকথা ' ● দেবীপক্ষের শুরুতেই ৭৫০ জনকে বস্ত্রদান, মানবিকতার নজির কর্মা ট্রাস্টের ● ●

সম্মানের আসন মাঝে 'মানসীর রূপকথা '

সম্মানের আসন মাঝে  'মানসীর রূপকথা '

তাপস রায়, কলকাতা: বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির প্রচার-প্রসারের পাশাপাশি সমাজসেবামূলক নানা উদ্যোগে যুক্ত মানসী রিসার্চ ফাউন্ডেশন। সংস্থার উদ্যোগে গত ৯ অক্টোবর নেহরু চিলড্রেনস মিউজিয়ামে প্রকাশিত হল ‘মানসীর রূপকথা’র ষষ্ঠ বর্ষের শারদ সংখ্যা। একই অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের হাতে তুলে দেওয়া হয় ‘রূপকথা শারদ সম্মান’।

প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। শিল্পী অরুণা নস্কর ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশন করেন। তাঁর আহ্বানে সমবেত দর্শকরাও কণ্ঠ মেলান। এরপর তাঁর আগমনী গানে প্রেক্ষাগৃহে তৈরি হয় দুর্গাপুজোর আবহ। কলাভূমির নৃত্যশিল্পীদের মনোজ্ঞ পরিবেশনা সেই আবহকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন নৃত্যগুরু দেবারতি গোস্বামী।

শারদ সংখ্যার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন আইএএস ড. বিক্রম সরকার, স্বামী প্রতিকানন্দ গিরি মহারাজ, বিল্ব মঙ্গল ত্রিবেদী এবং মানসী রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সভাপতি মানস কুমার ঠাকুর।

এ বছর ‘রূপকথা শারদ সম্মান’ পেয়েছেন অভিনেতা শুভাশিস মুখোপাধ্যায়, অভিনেতা সঞ্জীব সরকার, অভিনেত্রী সুচন্দ্রা এক্স ভানিয়া, জনসংযোগ আধিকারিক রাজীব লোধা, সমাজসেবী নবকুমার দাস, লেখক বরুণ কুমার দত্ত, মহিলা উদ্যোগী মনীষা পাল, আর্থিক পেশাদার বিকাশ সিংহ এবং কর্পোরেট আধিকারিক অজয় দ্বিবেদি।

১২৪ পাতার এই শারদ সংখ্যায় গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, নিবন্ধ, ফিচার এবং সংস্কৃতি ও বিনোদন বিষয়ক নানা আকর্ষণীয় লেখা স্থান পেয়েছে। পত্রিকার প্রধান সম্পাদক মানস কুমার ঠাকুর এবং নির্বাহী সম্পাদক সৈকত হালদার। বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির চর্চাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ সাহিত্যপ্রেমীদের কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।