Saturday, 24 October 2026
Latest
● দেশভাগের স্মৃতি, শিকড়ের টানে দুর্গাপুজো ● পুজো পরিক্রমায় বাংলার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সম্মানিত করল জেআইএমএসএইচ ● ● নামমাত্র সময়ে সিটি স্ক্যান, 'সুরক্ষা' এবার মুকুন্দপুরে ● সব পক্ষই দেবী পক্ষে, আলিমুদ্দিনের চণ্ডীপাঠে! ● From mindfulness to dance, Loreto College puts mental health in focus ● নাচে-গানে স্বপ্নজয়ের কাহিনি, প্রীতম কে নিয়ে তথ্যচিত্র ‘দ্য ড্যান্সিং মার্শিয়ান’ ● ● সম্মানের আসন মাঝে 'মানসীর রূপকথা ' ● দেবীপক্ষের শুরুতেই ৭৫০ জনকে বস্ত্রদান, মানবিকতার নজির কর্মা ট্রাস্টের ● ● ● দেশভাগের স্মৃতি, শিকড়ের টানে দুর্গাপুজো ● পুজো পরিক্রমায় বাংলার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সম্মানিত করল জেআইএমএসএইচ ● ● নামমাত্র সময়ে সিটি স্ক্যান, 'সুরক্ষা' এবার মুকুন্দপুরে ● সব পক্ষই দেবী পক্ষে, আলিমুদ্দিনের চণ্ডীপাঠে! ● From mindfulness to dance, Loreto College puts mental health in focus ● নাচে-গানে স্বপ্নজয়ের কাহিনি, প্রীতম কে নিয়ে তথ্যচিত্র ‘দ্য ড্যান্সিং মার্শিয়ান’ ● ● সম্মানের আসন মাঝে 'মানসীর রূপকথা ' ● দেবীপক্ষের শুরুতেই ৭৫০ জনকে বস্ত্রদান, মানবিকতার নজির কর্মা ট্রাস্টের ● ●

দেশভাগের স্মৃতি, শিকড়ের টানে দুর্গাপুজো

দেশভাগের স্মৃতি, শিকড়ের টানে দুর্গাপুজো

তাপস রায়,আজটকস:আমাদের দুর্গাপুজোর ইতিহাস প্রথাগত বনেদি বাড়ির পুজোর ইতিহাসের থেকে অনেকটাই স্বতন্ত্র। ১৯৫১ সালে আমাদের পরিবার চট্টগ্রাম থেকে কলকাতায় চলে আসে। তার আগের কয়েক বছরে পূর্ববঙ্গের সাম্প্রদায়িক হিংসা ও রাজনৈতিক অস্থিরতা জনজীবনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। ১৯৫০ সালের দাঙ্গা-অশান্তির ক্ষত তখনও তাজা। দেশভাগের অভিঘাত ও তৎকালীন রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে নতুন করে জীবন গড়ে তোলার চ্যালেঞ্জ ছিল প্রবল।

তাই আমাদের দুর্গাপুজো শুধুমাত্র উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া কোনও ধর্মীয় আচার নয়; এটি দেশভাগের সীমারেখা পেরিয়ে বয়ে আনা এক পারিবারিক ঐতিহ্য। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ফেলে আসা ভিটেমাটির স্মৃতি, শিকড়ের প্রতি গভীর টান এবং কলকাতার মাটিতে নতুন করে ঘর বাঁধার কাহিনি। প্রতিকূলতার মধ্যেও একটি নতুন জীবন ও নতুন পরিচয় গড়ে তোলার যে নিরলস প্রচেষ্টা এবং অদম্য মানসিক দৃঢ়তা আমাদের পরিবারের ইতিহাসের সঙ্গে মিশে রয়েছে, আমাদের দুর্গাপুজো তারই এক জীবন্ত প্রতীক। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই পুজো তাই শুধু দেবী আরাধনার উৎসব নয়, বরং হারানো অতীতকে স্মরণ করা এবং ঐতিহ্যের বন্ধনে শিকড়কে বাঁচিয়ে রাখার এক আন্তরিক প্রয়াস।

শিরোনাম: দেশভাগের স্মৃতি, শিকড়ের টানে দুর্গাপুজো

আমাদের দুর্গাপুজোর ইতিহাস প্রথাগত বনেদি বাড়ির পুজোর ইতিহাসের থেকে অনেকটাই স্বতন্ত্র। ১৯৫১ সালে আমাদের পরিবার চট্টগ্রাম থেকে কলকাতায় চলে আসে। তার আগের কয়েক বছরে পূর্ববঙ্গের সাম্প্রদায়িক হিংসা ও রাজনৈতিক অস্থিরতা জনজীবনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। ১৯৫০ সালের দাঙ্গা-অশান্তির ক্ষত তখনও তাজা। দেশভাগের অভিঘাত ও তৎকালীন রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে নতুন করে জীবন গড়ে তোলার চ্যালেঞ্জ ছিল প্রবল।

তাই আমাদের দুর্গাপুজো শুধুমাত্র উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া কোনও ধর্মীয় আচার নয়; এটি দেশভাগের সীমারেখা পেরিয়ে বয়ে আনা এক পারিবারিক ঐতিহ্য। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ফেলে আসা ভিটেমাটির স্মৃতি, শিকড়ের প্রতি গভীর টান এবং কলকাতার মাটিতে নতুন করে ঘর বাঁধার কাহিনি। প্রতিকূলতার মধ্যেও একটি নতুন জীবন ও নতুন পরিচয় গড়ে তোলার যে নিরলস প্রচেষ্টা এবং অদম্য মানসিক দৃঢ়তা আমাদের পরিবারের ইতিহাসের সঙ্গে মিশে রয়েছে, আমাদের দুর্গাপুজো তারই এক জীবন্ত প্রতীক। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই পুজো তাই শুধু দেবী আরাধনার উৎসব নয়, বরং হারানো অতীতকে স্মরণ করা এবং ঐতিহ্যের বন্ধনে শিকড়কে বাঁচিয়ে রাখার এক আন্তরিক প্রয়াস।