Saturday, 24 October 2026
Latest
● দেশভাগের স্মৃতি, শিকড়ের টানে দুর্গাপুজো ● পুজো পরিক্রমায় বাংলার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সম্মানিত করল জেআইএমএসএইচ ● ● নামমাত্র সময়ে সিটি স্ক্যান, 'সুরক্ষা' এবার মুকুন্দপুরে ● সব পক্ষই দেবী পক্ষে, আলিমুদ্দিনের চণ্ডীপাঠে! ● From mindfulness to dance, Loreto College puts mental health in focus ● নাচে-গানে স্বপ্নজয়ের কাহিনি, প্রীতম কে নিয়ে তথ্যচিত্র ‘দ্য ড্যান্সিং মার্শিয়ান’ ● ● সম্মানের আসন মাঝে 'মানসীর রূপকথা ' ● দেবীপক্ষের শুরুতেই ৭৫০ জনকে বস্ত্রদান, মানবিকতার নজির কর্মা ট্রাস্টের ● ● ● দেশভাগের স্মৃতি, শিকড়ের টানে দুর্গাপুজো ● পুজো পরিক্রমায় বাংলার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সম্মানিত করল জেআইএমএসএইচ ● ● নামমাত্র সময়ে সিটি স্ক্যান, 'সুরক্ষা' এবার মুকুন্দপুরে ● সব পক্ষই দেবী পক্ষে, আলিমুদ্দিনের চণ্ডীপাঠে! ● From mindfulness to dance, Loreto College puts mental health in focus ● নাচে-গানে স্বপ্নজয়ের কাহিনি, প্রীতম কে নিয়ে তথ্যচিত্র ‘দ্য ড্যান্সিং মার্শিয়ান’ ● ● সম্মানের আসন মাঝে 'মানসীর রূপকথা ' ● দেবীপক্ষের শুরুতেই ৭৫০ জনকে বস্ত্রদান, মানবিকতার নজির কর্মা ট্রাস্টের ● ●

সূচ নয়, হার্ট সার্জারি এবার ক্লিপে!

সূচ নয়, হার্ট সার্জারি এবার ক্লিপে!

তাপস রায়,কলকাতা, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫: উন্নত হৃদরোগ চিকিৎসায় এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্পর্শ করল মণিপাল হাসপাতাল, ইএম বাইপাস। আসানসোলের বাসিন্দা ৬০ বছর বয়সী রামস্বারূপের শরীরে সফলভাবে পূর্ব ভারতের প্রথম দেশীয় MyCLIP TEER প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। গুরুতর হৃদরোগে আক্রান্ত এই রোগীর ক্ষেত্রে প্রচলিত ওপেন-হার্ট সার্জারি ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, ফলে মিনিমালি ইনভেসিভ এই পদ্ধতিই হয়ে ওঠে নিরাপদ ও কার্যকর বিকল্প।

২০২৫ সালের ২৯ নভেম্বর এই জটিল চিকিৎসা প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করেন মণিপাল হাসপাতাল, ইএম বাইপাসের ডিরেক্টর ক্যাথ ল্যাব ও সিনিয়র ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট ডা. দিলীপ কুমার। তাঁর সঙ্গে ছিলেন একাধিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও বিভিন্ন বিভাগের সমন্বিত মেডিক্যাল টিম। রোগী গুরুতর মাইট্রাল রিগারজিটেশন, ডাইলেটেড কার্ডিওমায়োপ্যাথি, পালমোনারি হাইপারটেনশন ও হার্ট ফেইলিওরে ভুগছিলেন এবং তাঁর হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা ছিল মাত্র ২৫ শতাংশ।

এই চিকিৎসায় ব্যবহৃত MyCLIP যন্ত্রটি ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের আওতায় দেশে তৈরি হওয়ায় চিকিৎসার খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে। আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল রোগীর জন্য ডিভাইস প্রস্তুতকারী সংস্থা, মণিপাল ফাউন্ডেশন ও একটি সামাজিক সংস্থার সহায়তায় চিকিৎসা সম্পন্ন করা সম্ভব হয়। প্রতিস্থাপনের পরপরই রোগীর শ্বাসকষ্ট ও শারীরিক দুর্বলতা অনেকটাই কমে যায় এবং মাত্র দু’দিনের মধ্যেই তিনি সুস্থ অবস্থায় হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান।

এই সাফল্য শুধু পূর্ব ভারতের হৃদরোগ চিকিৎসায় একটি বড় অর্জন নয়, বরং দেশীয় চিকিৎসা প্রযুক্তি ও সামাজিক সহায়তার সমন্বয়ে কীভাবে জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা আরও মানুষের নাগালে আনা যায়, তারও এক শক্তিশালী উদাহরণ।