Saturday, 24 October 2026
Latest
● দেশভাগের স্মৃতি, শিকড়ের টানে দুর্গাপুজো ● পুজো পরিক্রমায় বাংলার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সম্মানিত করল জেআইএমএসএইচ ● ● নামমাত্র সময়ে সিটি স্ক্যান, 'সুরক্ষা' এবার মুকুন্দপুরে ● সব পক্ষই দেবী পক্ষে, আলিমুদ্দিনের চণ্ডীপাঠে! ● From mindfulness to dance, Loreto College puts mental health in focus ● নাচে-গানে স্বপ্নজয়ের কাহিনি, প্রীতম কে নিয়ে তথ্যচিত্র ‘দ্য ড্যান্সিং মার্শিয়ান’ ● ● সম্মানের আসন মাঝে 'মানসীর রূপকথা ' ● দেবীপক্ষের শুরুতেই ৭৫০ জনকে বস্ত্রদান, মানবিকতার নজির কর্মা ট্রাস্টের ● ● ● দেশভাগের স্মৃতি, শিকড়ের টানে দুর্গাপুজো ● পুজো পরিক্রমায় বাংলার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সম্মানিত করল জেআইএমএসএইচ ● ● নামমাত্র সময়ে সিটি স্ক্যান, 'সুরক্ষা' এবার মুকুন্দপুরে ● সব পক্ষই দেবী পক্ষে, আলিমুদ্দিনের চণ্ডীপাঠে! ● From mindfulness to dance, Loreto College puts mental health in focus ● নাচে-গানে স্বপ্নজয়ের কাহিনি, প্রীতম কে নিয়ে তথ্যচিত্র ‘দ্য ড্যান্সিং মার্শিয়ান’ ● ● সম্মানের আসন মাঝে 'মানসীর রূপকথা ' ● দেবীপক্ষের শুরুতেই ৭৫০ জনকে বস্ত্রদান, মানবিকতার নজির কর্মা ট্রাস্টের ● ●

থ্যালাসেমিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আশার নতুন ঠিকানা মণিপাল হসপিটাল

থ্যালাসেমিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আশার নতুন ঠিকানা মণিপাল হসপিটাল

তাপস রায়,কলকাতা, ৭ মে ২০২৬: থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের জন্য সমন্বিত ও রোগীকেন্দ্রিক চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দিতে মণিপাল হসপিটালস তাদের মুকুন্দপুর ইউনিটে চালু করল বিশেষ ‘থ্যালাসেমিয়া প্রিভিলেজ ক্লিনিক’ ও ‘ডে কেয়ার ওয়ার্ড’। এই উদ্যোগের মাধ্যমে এক ছাদের নিচে থ্যালাসেমিয়া সংক্রান্ত উন্নত চিকিৎসা, পরামর্শ ও সহায়তা পরিষেবা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হলো।

এই বিশেষ পরিষেবার উদ্বোধন করেন প্রফেসর (ড.) রাজীব দে, হেড – ক্লিনিক্যাল হেমাটোলজি, হেমাটো-অঙ্কোলজি ও বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট, মণিপাল হসপিটালস মুকুন্দপুর ক্লাস্টার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ড. সৌমেন মেউর, ড. অতনু কুমার জানা, হসপিটাল ডিরেক্টর জয়ন্তী চ্যাটার্জী এবং ক্লাস্টার ডিরেক্টর কোমল দাশোরা সহ হাসপাতালের অন্যান্য বিশিষ্ট চিকিৎসক ও আধিকারিকরা।

1000379968

নতুন এই ক্লিনিকে মূলত ১৮ বছর পর্যন্ত শিশু ও কিশোর থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জন্য বিশেষায়িত পরিষেবা দেওয়া হবে। এখানে থাকছে থ্যালাসেমিয়া ও ক্যারিয়ার শনাক্তকরণের ডায়াগনস্টিক সুবিধা, ক্লিনিক্যাল মূল্যায়ন, ডে কেয়ার ওয়ার্ডে রক্ত সঞ্চালনের ব্যবস্থা, প্রি-নাটাল ডায়াগনোসিস, জেনেটিক কাউন্সেলিং, মানসিক সহায়তা, মাল্টিডিসিপ্লিনারি কেয়ার এবং বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্টের সুবিধা। রোগীদের জন্য চালু করা হয়েছে বিশেষ ‘থ্যালাসেমিয়া প্রিভিলেজ কার্ড’, যার মাধ্যমে সাশ্রয়ী খরচে চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়া যাবে।

প্রফেসর (ড.) রাজীব দে জানান, ভারতে থ্যালাসেমিয়া এখনও একটি গুরুতর জনস্বাস্থ্য সমস্যা। দেশে প্রতি বছর বহু শিশু থ্যালাসেমিয়া মেজর নিয়ে জন্মগ্রহণ করে এবং পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তর-পূর্ব ভারতে এর প্রকোপ আরও বেশি। তিনি বলেন, নিয়মিত রক্ত সঞ্চালন ও আয়রন কিলেশন বর্তমানে প্রধান চিকিৎসা হলেও বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্টই একমাত্র স্থায়ী নিরাময়ের পথ। মুকুন্দপুর ক্লাস্টারের বিশেষ বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট ইউনিট এই চিকিৎসাকে আরও সহজলভ্য করে তুলবে।

মণিপাল হসপিটালস ইস্ট-এর রিজিওনাল ডিরেক্টর ড. অয়নাভ দেবগুপ্ত বলেন, পূর্ব ভারতে থ্যালাসেমিয়ার বাহকের হার জাতীয় গড়ের তুলনায় অনেক বেশি। তাই প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যারিয়ার শনাক্তকরণ, জেনেটিক কাউন্সেলিং এবং উন্নত চিকিৎসা পরিষেবার মাধ্যমে ভবিষ্যতে একটি থ্যালাসেমিয়া-মুক্ত সমাজ গড়ে তোলাই তাঁদের লক্ষ্য।

সমন্বিত চিকিৎসা, আধুনিক পরিকাঠামো এবং রোগীকেন্দ্রিক পরিষেবার মাধ্যমে মণিপাল হসপিটালসের এই উদ্যোগ থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জীবনে নতুন আশার আলো হয়ে উঠবে বলেই মনে করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

1000379648