Saturday, 24 October 2026
Latest
● দেশভাগের স্মৃতি, শিকড়ের টানে দুর্গাপুজো ● পুজো পরিক্রমায় বাংলার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সম্মানিত করল জেআইএমএসএইচ ● ● নামমাত্র সময়ে সিটি স্ক্যান, 'সুরক্ষা' এবার মুকুন্দপুরে ● সব পক্ষই দেবী পক্ষে, আলিমুদ্দিনের চণ্ডীপাঠে! ● From mindfulness to dance, Loreto College puts mental health in focus ● নাচে-গানে স্বপ্নজয়ের কাহিনি, প্রীতম কে নিয়ে তথ্যচিত্র ‘দ্য ড্যান্সিং মার্শিয়ান’ ● ● সম্মানের আসন মাঝে 'মানসীর রূপকথা ' ● দেবীপক্ষের শুরুতেই ৭৫০ জনকে বস্ত্রদান, মানবিকতার নজির কর্মা ট্রাস্টের ● ● ● দেশভাগের স্মৃতি, শিকড়ের টানে দুর্গাপুজো ● পুজো পরিক্রমায় বাংলার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সম্মানিত করল জেআইএমএসএইচ ● ● নামমাত্র সময়ে সিটি স্ক্যান, 'সুরক্ষা' এবার মুকুন্দপুরে ● সব পক্ষই দেবী পক্ষে, আলিমুদ্দিনের চণ্ডীপাঠে! ● From mindfulness to dance, Loreto College puts mental health in focus ● নাচে-গানে স্বপ্নজয়ের কাহিনি, প্রীতম কে নিয়ে তথ্যচিত্র ‘দ্য ড্যান্সিং মার্শিয়ান’ ● ● সম্মানের আসন মাঝে 'মানসীর রূপকথা ' ● দেবীপক্ষের শুরুতেই ৭৫০ জনকে বস্ত্রদান, মানবিকতার নজির কর্মা ট্রাস্টের ● ●

গ্রীন করিডোর পথে 'sristi' র স্বপ্ন সাথী 'ILS 'হাসপাতাল

গ্রীন করিডোর পথে 'sristi' র স্বপ্ন সাথী 'ILS 'হাসপাতাল

তাপস রায়,দমদম, ২৫ জুন: মারণ সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই NEET UG পরীক্ষায় অংশ নিয়ে নজির গড়লেন হাওড়ার লিলুয়ার ১৮ বছরের ছাত্রী সৃষ্টি দুবে। চিকিৎসকদের নিরলস প্রচেষ্টা, উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা এবং প্রশাসনের সহযোগিতায় এই অসম্ভবকে সম্ভব করেছে ILS Hospitals, Dum Dum।গত ১৪ জুন সকালে একটি দ্রুতগতির ভারী গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর জখম হন সৃষ্টি। দুর্ঘটনায় তাঁর শরীরের একাধিক স্থানে আঘাত লাগে। ভেঙে যায় নয়টি পাঁজর, ছিঁড়ে যায় বাম ফুসফুস, বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় প্রধান শ্বাসনালী (ব্রঙ্কাস), পাশাপাশি কাঁধ ও মুখেও গুরুতর চোট পান তিনি।সঙ্কটজনক অবস্থায় তাঁকে ভর্তি করা হয় ILS Hospitals, Dum Dum-এ। সেখানে কার্ডিওথোরাসিক ও ভাসকুলার সার্জন ডা. সমর্থ আচার্য এবং কার্ডিয়াক অ্যানেস্থেসিয়োলজিস্ট ডা. প্রিয়াঙ্কা মৈত্র করকের নেতৃত্বে চিকিৎসকদের একটি দল প্রায় আট ঘণ্টার জটিল অস্ত্রোপচার করে তাঁর প্রাণ বাঁচান। অস্ত্রোপচারে ক্ষতিগ্রস্ত শ্বাসনালী মেরামত, ফুসফুসের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ অপসারণ এবং ভাঙা পাঁজরের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা হয়।ডা. সমর্থ আচার্য জানান, “সৃষ্টির আঘাত ছিল অত্যন্ত গুরুতর। দ্রুত অস্ত্রোপচার না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারত। তাঁর দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠা যেমন চিকিৎসকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল, তেমনই তাঁর অসাধারণ মানসিক শক্তিরও প্রমাণ।”অস্ত্রোপচারের ৩৬ ঘণ্টার মধ্যেই জ্ঞান ফিরে পান সৃষ্টি। তৃতীয় দিন থেকেই হাঁটাচলা শুরু করেন এবং ধীরে ধীরে আবার পড়াশোনায় মন দেন। চিকিৎসার পুরো সময় জুড়ে তিনি NEET পরীক্ষায় বসার ইচ্ছা ব্যক্ত করে গিয়েছেন।সৃষ্টির দৃঢ় মানসিকতার কথা মাথায় রেখে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁর পরিবার, পরীক্ষা কর্তৃপক্ষ এবং প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করে। তাঁর শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট এবং কলকাতা পুলিশের সহযোগিতায় বিশেষ গ্রিন করিডর তৈরি করা হয়।২১ জুন নার্সিং টিমের তত্ত্বাবধানে এবং অক্সিজেন সাপোর্ট নিয়ে সৃষ্টি বিমানবন্দর সংলগ্ন বিনোদিনী গার্লস স্কুলে পৌঁছে সফলভাবে NEET UG পরীক্ষায় অংশ নেন।সৃষ্টির বাবা শ্রীরাম শিবজি দুবে বলেন, “ILS Hospitals-এর চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা আমার মেয়েকে নতুন জীবন দিয়েছেন। এত বড় দুর্ঘটনার পরও সে তার স্বপ্ন ছাড়েনি। তাঁদের প্রতি আমরা চিরকৃতজ্ঞ।”মাত্র এক সপ্তাহে আইসিইউ থেকে পরীক্ষার হলে পৌঁছে যাওয়ার এই ঘটনা মানবিক ইচ্ছাশক্তি, আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং প্রশাসনিক সহযোগিতার এক অনন্য উদাহরণ হয়ে রইল।