তাপস রায়,আজটকস:কলকাতা প্রেস ক্লাবে বেঙ্গল টিউবারকিউলোসিস অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হল পরামর্শদাতা প্যাথোলজিস্ট ও বিশিষ্ট মেডিক্যাল ফিলাটেলিস্ট ড. ভাস্কর মিত্র রচিত বই ‘ফ্রম সিল্স টু সারভাইভাল: একোজ অব দ্য আনস্পোকেন ক্রুসেড এগেইনস্ট টিবি ইন ইন্ডিয়া’, যেখানে মেডিক্যাল ফিলাটেলির মাধ্যমে ভারতের যক্ষ্মার বিরুদ্ধে দীর্ঘ কয়েক দশকের সংগ্রামকে অনন্য দৃষ্টিভঙ্গিতে তুলে ধরা হয়েছে। ১৯৪০ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর ২ অক্টোবর প্রকাশিত টিবি সচেতনতামূলক ডাক সিল ও ডাকটিকিটের বিস্তৃত নথিভুক্তকরণ এই বইয়ের মূল আকর্ষণ, যা এক সময় জনস্বাস্থ্যের শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে প্রতিরোধ, দায়িত্ববোধ ও আশার বার্তা পৌঁছে দিয়েছিল। শুধু সংগ্রহ নয়, সিলগুলির নকশার নেপথ্যের গল্প, শিল্পীদের অবদান, সৃজনশীল ভাবনা ও বিভিন্ন সময়ের জনস্বাস্থ্য অগ্রাধিকারও বইটিতে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে, যা এগুলিকে চিকিৎসা ও সংস্কৃতির মূল্যবান নিদর্শনে পরিণত করেছে। বইটি যক্ষ্মার বিরুদ্ধে ভারতের ঐতিহাসিক লড়াই, নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার বিবর্তন এবং নিরাপদ পর্যায়ে পৌঁছনোর ধারাবাহিক চিত্র স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। ওয়েস্ট বেঙ্গল টিউবারকিউলোসিস অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান ড. রঞ্জন দাস বলেন, এই বইটি কয়েক দশকব্যাপী জাতীয় অঙ্গীকারের শক্তিশালী স্মারক, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে টিবি নির্মূলের লড়াইয়ে অনুপ্রাণিত করবে। ১৯২৯ সালে প্রতিষ্ঠিত বেঙ্গল টিউবারকিউলোসিস অ্যাসোসিয়েশনের দীর্ঘ জনস্বাস্থ্যসেবার ধারাবাহিকতায় এই প্রকাশনা ভারতের চিকিৎসা ও সামাজিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে রইল।
ডাক সিলের পাতায় টিবি-লড়াইয়ের ইতিহাস