Saturday, 24 October 2026
Latest
● দেশভাগের স্মৃতি, শিকড়ের টানে দুর্গাপুজো ● পুজো পরিক্রমায় বাংলার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সম্মানিত করল জেআইএমএসএইচ ● ● নামমাত্র সময়ে সিটি স্ক্যান, 'সুরক্ষা' এবার মুকুন্দপুরে ● সব পক্ষই দেবী পক্ষে, আলিমুদ্দিনের চণ্ডীপাঠে! ● From mindfulness to dance, Loreto College puts mental health in focus ● নাচে-গানে স্বপ্নজয়ের কাহিনি, প্রীতম কে নিয়ে তথ্যচিত্র ‘দ্য ড্যান্সিং মার্শিয়ান’ ● ● সম্মানের আসন মাঝে 'মানসীর রূপকথা ' ● দেবীপক্ষের শুরুতেই ৭৫০ জনকে বস্ত্রদান, মানবিকতার নজির কর্মা ট্রাস্টের ● ● ● দেশভাগের স্মৃতি, শিকড়ের টানে দুর্গাপুজো ● পুজো পরিক্রমায় বাংলার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সম্মানিত করল জেআইএমএসএইচ ● ● নামমাত্র সময়ে সিটি স্ক্যান, 'সুরক্ষা' এবার মুকুন্দপুরে ● সব পক্ষই দেবী পক্ষে, আলিমুদ্দিনের চণ্ডীপাঠে! ● From mindfulness to dance, Loreto College puts mental health in focus ● নাচে-গানে স্বপ্নজয়ের কাহিনি, প্রীতম কে নিয়ে তথ্যচিত্র ‘দ্য ড্যান্সিং মার্শিয়ান’ ● ● সম্মানের আসন মাঝে 'মানসীর রূপকথা ' ● দেবীপক্ষের শুরুতেই ৭৫০ জনকে বস্ত্রদান, মানবিকতার নজির কর্মা ট্রাস্টের ● ●

টেট রায়ে উদ্বেগ, আইন সংশোধনের দাবিতে ABRSM

টেট রায়ে উদ্বেগ, আইন সংশোধনের দাবিতে ABRSM

১৮ জুন দেশজুড়ে ডিএম অফিসে ডেপুটেশন, শিক্ষকদের চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি।

তাপস রায়,কলকাতা, ১২ জুন: সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক টেট (TET) সংক্রান্ত রায়কে কেন্দ্র করে কর্মরত শিক্ষকদের ভবিষ্যৎ ও চাকরির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করল ভারতবর্ষের অন্যতম বৃহৎ অরাজনৈতিক জাতীয়তাবাদী শিক্ষক সংগঠন ABRSM। শুক্রবার কলকাতা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে সংগঠনের রাজ্য নেতৃত্ব রায়ের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে আইন সংশোধনের দাবি জানায় এবং আগামী দিনে বৃহত্তর গণআন্দোলনের ইঙ্গিত দেয়।

1000429779

সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ABRSM পশ্চিমবঙ্গ (বিদ্যালয় শিক্ষা)-এর রাজ্য সভাপতি আশীষ কুমার মন্ডল, রাজ্য সাধারণ সম্পাদক বাপি প্রামানিক, বরিষ্ঠ সহ-সভাপতি শান্তনু মুখার্জী এবং সংগঠনের অন্যান্য প্রতিনিধিরা।

Photo 1580582932707 520aed937b7b

রাজ্য সভাপতি আশীষ কুমার মন্ডল বলেন, সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী দেশের প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক স্তরের সমস্ত কর্মরত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য টেট উত্তীর্ণ হওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বর্তমানে কর্মরত নন-টেট শিক্ষকদের জন্য ৩১ আগস্ট ২০২৮ পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারিত হয়েছে। তাঁর আশঙ্কা, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টেট পাশ করতে না পারলে বহু অভিজ্ঞ শিক্ষক বাধ্যতামূলক অবসরের মুখোমুখি হতে পারেন, যা শিক্ষা ব্যবস্থায় অস্থিরতা সৃষ্টি করবে এবং শিক্ষার ধারাবাহিকতাকে ব্যাহত করবে।

বরিষ্ঠ সহ-সভাপতি শান্তনু মুখার্জী দাবি করেন, শিক্ষার অধিকার আইন (RTE), ২০০৯ এবং NCTE-র ২০১০ সালের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ২০১০ সালের আগে ও পরে নিযুক্ত শিক্ষকদের ক্ষেত্রে পৃথক বিধান ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক রায়ে সেই বাস্তবতাকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বলে তাঁর অভিযোগ। ফলে দীর্ঘদিন ধরে বৈধভাবে কর্মরত বহু শিক্ষকও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন।

রাজ্য সাধারণ সম্পাদক বাপি প্রামানিক জানান, এই রায়ের প্রভাব সারা দেশে প্রায় ২০ লক্ষ এবং পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৯০ হাজার শিক্ষকের উপর পড়তে পারে। তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে গত বছর থেকেই সংগঠন ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন ও প্রশাসনিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী, NCTE-র চেয়ারম্যান, প্রধানমন্ত্রী এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে একাধিকবার স্মারকলিপি পেশ করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন জেলায় ডেপুটেশন ও গণসচেতনতামূলক কর্মসূচিও সংগঠিত হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সুপ্রিম কোর্টের রিভিউ পিটিশনের রায়ে আশানুরূপ ফল না আসায় সংগঠন এখন আইন সংশোধনের দাবিতে আরও জোরালো অবস্থান নিতে চলেছে। সেই লক্ষ্যে আগামী ১৮ জুন দেশের প্রতিটি জেলার জেলা শাসকের (DM) কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর উদ্দেশে ডেপুটেশন দেওয়া হবে।

ABRSM-এর দাবি, NCTE-র ২৩ আগস্ট ২০১০-এর বিজ্ঞপ্তি কার্যকর হওয়ার আগে, অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১১-এর পূর্বে নিয়োগপ্রাপ্ত সকল শিক্ষকদের টেট থেকে অব্যাহতি দেওয়া হোক। একইসঙ্গে জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০, আঞ্চলিক SSC গঠন, ICT শিক্ষকদের ভবিষ্যৎ এবং ত্রি-ভাষা সূত্রের বিভিন্ন বিষয়েও সংগঠন তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে।

সংগঠনের নেতৃত্বের বক্তব্য, শিক্ষকদের ন্যায্য স্বার্থ রক্ষায় সরকার যদি দ্রুত আইনগত উদ্যোগ না নেয়, তবে দেশজুড়ে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটতে বাধ্য হবে ABRSM।