Saturday, 24 October 2026
Latest
● দেশভাগের স্মৃতি, শিকড়ের টানে দুর্গাপুজো ● পুজো পরিক্রমায় বাংলার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সম্মানিত করল জেআইএমএসএইচ ● ● নামমাত্র সময়ে সিটি স্ক্যান, 'সুরক্ষা' এবার মুকুন্দপুরে ● সব পক্ষই দেবী পক্ষে, আলিমুদ্দিনের চণ্ডীপাঠে! ● From mindfulness to dance, Loreto College puts mental health in focus ● নাচে-গানে স্বপ্নজয়ের কাহিনি, প্রীতম কে নিয়ে তথ্যচিত্র ‘দ্য ড্যান্সিং মার্শিয়ান’ ● ● সম্মানের আসন মাঝে 'মানসীর রূপকথা ' ● দেবীপক্ষের শুরুতেই ৭৫০ জনকে বস্ত্রদান, মানবিকতার নজির কর্মা ট্রাস্টের ● ● ● দেশভাগের স্মৃতি, শিকড়ের টানে দুর্গাপুজো ● পুজো পরিক্রমায় বাংলার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সম্মানিত করল জেআইএমএসএইচ ● ● নামমাত্র সময়ে সিটি স্ক্যান, 'সুরক্ষা' এবার মুকুন্দপুরে ● সব পক্ষই দেবী পক্ষে, আলিমুদ্দিনের চণ্ডীপাঠে! ● From mindfulness to dance, Loreto College puts mental health in focus ● নাচে-গানে স্বপ্নজয়ের কাহিনি, প্রীতম কে নিয়ে তথ্যচিত্র ‘দ্য ড্যান্সিং মার্শিয়ান’ ● ● সম্মানের আসন মাঝে 'মানসীর রূপকথা ' ● দেবীপক্ষের শুরুতেই ৭৫০ জনকে বস্ত্রদান, মানবিকতার নজির কর্মা ট্রাস্টের ● ●

জল প্রকল্পে সঙ্কটের জলে ঠিকাদাররা

জল প্রকল্পে সঙ্কটের জলে ঠিকাদাররা

তাপস রায়,কলকাতা:পশ্চিমবঙ্গের জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দপ্তরের সঙ্গে যুক্ত অল বেঙ্গল পিএইচই কন্ট্রাক্টরস অ্যাসোসিয়েশন দীর্ঘ ৩৫ থেকে ৪০ বছর ধরে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে কাজ করে আসছে, কিন্তু তাদের দাবি এত গভীর জীবন-মরণ সঙ্কট আগে কখনও দেখা যায়নি। ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের আগে পর্যন্ত এই দপ্তরের বার্ষিক কাজের বরাদ্দ ছিল আনুমানিক ১০০০ থেকে ১২০০ কোটি টাকা, সেই অনুযায়ী রাজ্যের বিভিন্ন ডিভিশনে কাজ সম্পন্ন করে ঠিকাদাররা স্বাভাবিকভাবে জীবনযাপন করতেন। কিন্তু ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে আগস্ট মাসে কেন্দ্রীয় সরকার ‘জল জীবন মিশন’ বা ‘হর ঘর জল’ প্রকল্প ঘোষণা করে ২,০৮,৬৫২ কোটি টাকার বরাদ্দসহ ২০২৩-২৪ পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারণ করে, কেন্দ্র ও রাজ্যের ব্যয় অনুপাত ধরা হয় ৫০:৫০। এই লক্ষ্য পূরণে পশ্চিমবঙ্গ জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দপ্তর প্রায় ৫৬ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়ে দ্রুত কাজ শুরু করে; প্রথম পর্যায়ে রেট্রোফিটিং, দ্বিতীয় পর্যায়ে অগমেন্টেশন এবং তৃতীয় পর্যায়ে নতুন স্কিমের মাধ্যমে রাজ্যজুড়ে বাড়ি বাড়ি জল সংযোগের উদ্যোগ নেওয়া হয়, যদিও জমি সংক্রান্ত সমস্যার কারণে বহু ক্ষেত্রে কাজ বিলম্বিত হয়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী ২০১৯-২০ থেকে ২০২৪-২৫ পর্যন্ত কেন্দ্র ও রাজ্য মিলিয়ে মোট ব্যয় হয়েছে প্রায় ২৮,৪১৪.৮৯ কোটি টাকা, অথচ আনুমানিক প্রায় ৫০০০ কোটি টাকার বিল এখনো বকেয়া রয়েছে; ঠিকাদারদের দাবি, ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত কেন্দ্রীয় অংশ হিসেবে ১৩,৩১৩.৫৪ কোটি টাকা পাওয়ার পর অর্থপ্রবাহ কার্যত বন্ধ হয়ে যায়, যেখানে প্রাপ্য ছিল প্রায় ২৮ হাজার কোটি টাকা। যদিও কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রক প্রকল্পের সময়সীমা ২০২৫ পর্যন্ত বাড়ায় এবং পরবর্তীতে ২০২৮ সাল পর্যন্ত সম্প্রসারণের কথা ঘোষণা করে, বাস্তবে অর্থবরাদ্দের ঘাটতিতে কাজের ধারাবাহিকতা বিপর্যস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ। বর্তমানে রাজ্যে প্রায় ১ কোটি ৭৩ লক্ষ বাড়িতে বিশুদ্ধ পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে প্রায় ১ কোটি বাড়িতে সংযোগ সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবি করা হলেও বিপুল অঙ্কের বকেয়া বিলের চাপে ঠিকাদাররা চরম আর্থিক সঙ্কটে পড়েছেন; ব্যাঙ্ক ঋণ, মহাজনী দেনা, শ্রমিক মজুরি—সব ক্ষেত্রেই অনিশ্চয়তা বাড়ছে এবং বহু শ্রমিক কাজ ছাড়ার অবস্থায়। অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স খাতে গত দুই বছরে মাত্র ১৫ থেকে ৩০ শতাংশ পেমেন্ট পাওয়ায় জল সরবরাহ ব্যবস্থাও বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। পাশাপাশি নির্বাচনকালীন লজিস্টিক সহায়তা, খরাকালীন জল সরবরাহ, প্রশাসনিক বৈঠক, গঙ্গাসাগর মেলা ও অন্যান্য পরিষেবার বাবদ মিলিয়ে মোট প্রাপ্য টাকার পরিমাণ আনুমানিক ১০,২৫১ কোটি টাকা বলে জানানো হয়েছে। ঠিকাদারদের বক্তব্য, বারবার প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে আলোচনা সত্ত্বেও সমস্যার সমাধান না হওয়ায় তাঁরা ও তাঁদের পরিবার চরম আর্থিক ও সামাজিক অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন এবং পরিস্থিতির দ্রুত সমাধান না তারা বৃহত্তর আন্দোলনে পথ বেছে নিতে পারেন।এতে জল পরিষেবা ব্যাহত হলে তার দায় ঠিকাদারদের ওপর বর্তাবে না । যদিও এদিন সংগঠনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সভাপতি দেবপ্রসাদ মন্ডল থেকে সাধারণ সম্পাদক মানস চ্যাটার্জী সহ জানান,যে এতদিন তাদের পাওনা অর্থ না পেলেও তারা তাদের কাজ চালিয়ে গেছেন।কারণ তারা মনে করেন যে তাদের করা আন্দোলনের ফলে সাধারণ মানুষের পরিষেবার ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে