Saturday, 24 October 2026
Latest
● দেশভাগের স্মৃতি, শিকড়ের টানে দুর্গাপুজো ● পুজো পরিক্রমায় বাংলার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সম্মানিত করল জেআইএমএসএইচ ● ● নামমাত্র সময়ে সিটি স্ক্যান, 'সুরক্ষা' এবার মুকুন্দপুরে ● সব পক্ষই দেবী পক্ষে, আলিমুদ্দিনের চণ্ডীপাঠে! ● From mindfulness to dance, Loreto College puts mental health in focus ● নাচে-গানে স্বপ্নজয়ের কাহিনি, প্রীতম কে নিয়ে তথ্যচিত্র ‘দ্য ড্যান্সিং মার্শিয়ান’ ● ● সম্মানের আসন মাঝে 'মানসীর রূপকথা ' ● দেবীপক্ষের শুরুতেই ৭৫০ জনকে বস্ত্রদান, মানবিকতার নজির কর্মা ট্রাস্টের ● ● ● দেশভাগের স্মৃতি, শিকড়ের টানে দুর্গাপুজো ● পুজো পরিক্রমায় বাংলার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সম্মানিত করল জেআইএমএসএইচ ● ● নামমাত্র সময়ে সিটি স্ক্যান, 'সুরক্ষা' এবার মুকুন্দপুরে ● সব পক্ষই দেবী পক্ষে, আলিমুদ্দিনের চণ্ডীপাঠে! ● From mindfulness to dance, Loreto College puts mental health in focus ● নাচে-গানে স্বপ্নজয়ের কাহিনি, প্রীতম কে নিয়ে তথ্যচিত্র ‘দ্য ড্যান্সিং মার্শিয়ান’ ● ● সম্মানের আসন মাঝে 'মানসীর রূপকথা ' ● দেবীপক্ষের শুরুতেই ৭৫০ জনকে বস্ত্রদান, মানবিকতার নজির কর্মা ট্রাস্টের ● ●

মাদ্রাসা শিক্ষা নিয়ে মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক, ক্ষমা দাবিতে শিক্ষক সমিতি

মাদ্রাসা শিক্ষা নিয়ে মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক, ক্ষমা দাবিতে শিক্ষক সমিতি

জসীমউদ্দীন মোল্লা,কলকাতা:শনিবার দুপুরে কলকাতার পার্ক সার্কাসের এক সভাগৃহে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসে রাজ্য মাদ্রাসা শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতি। সম্প্রতি –এর মাদ্রাসা শিক্ষা সংক্রান্ত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে যে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে, সেই প্রসঙ্গেই সংগঠনটি সরব হয়। বিধানসভা ও বিধানসভার বাইরে তাঁর বক্তব্যকে ‘কুরুচিকর’ ও ‘অবমাননাকর’ আখ্যা দিয়ে সমিতির পক্ষ থেকে অবিলম্বে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনার দাবি জানানো হয়, অন্যথায় তাঁকে বিধায়ক পদ থেকে অপসারণের আহ্বান তোলা হবে বলেও জানানো হয়েছে। সংগঠনের দাবি, মাদ্রাসা শিক্ষার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সামাজিক অবদান সম্পর্কে অজ্ঞতাপ্রসূত ও বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করা হয়েছে। বিশেষত মাদ্রাসা থেকে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা আইএএস-আইপিএস তৈরি হয় না—এই বক্তব্যকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন নেতৃবৃন্দ। বৈঠকে আরও জানানো হয়, রাজ্যে সংখ্যালঘু ও মাদ্রাসা শিক্ষা খাতে বরাদ্দ অর্থ সম্পূর্ণভাবে ব্যয় হয় না বলেই তাঁদের অভিযোগ। সংখ্যালঘু সম্প্রদায় বলতে কেবল মুসলিম নয়, খ্রিষ্টান, শিখ, জৈন ও বৌদ্ধসহ বিভিন্ন গোষ্ঠী অন্তর্ভুক্ত—এ কথাও স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের প্রায় ২৫ শতাংশ এবং শিক্ষকদের প্রায় ৪০ শতাংশ অমুসলিম, ফলে মাদ্রাসাকে একপাক্ষিকভাবে চিহ্নিত করার প্রচেষ্টা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আতিয়ার রহমান ও সাইদুল ইসলামসহ সংগঠনের প্রতিনিধিরা বলেন, এ ধরনের মন্তব্য সংবিধানের মূল্যবোধ ও ধর্মনিরপেক্ষ চেতনার পরিপন্থী এবং আইনসভাকেও অসম্মানিত করে; তাই দ্রুত ক্ষমা প্রার্থনা না করলে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটার ইঙ্গিতও দেওয়া হয়।