Saturday, 24 October 2026
Latest
● দেশভাগের স্মৃতি, শিকড়ের টানে দুর্গাপুজো ● পুজো পরিক্রমায় বাংলার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সম্মানিত করল জেআইএমএসএইচ ● ● নামমাত্র সময়ে সিটি স্ক্যান, 'সুরক্ষা' এবার মুকুন্দপুরে ● সব পক্ষই দেবী পক্ষে, আলিমুদ্দিনের চণ্ডীপাঠে! ● From mindfulness to dance, Loreto College puts mental health in focus ● নাচে-গানে স্বপ্নজয়ের কাহিনি, প্রীতম কে নিয়ে তথ্যচিত্র ‘দ্য ড্যান্সিং মার্শিয়ান’ ● ● সম্মানের আসন মাঝে 'মানসীর রূপকথা ' ● দেবীপক্ষের শুরুতেই ৭৫০ জনকে বস্ত্রদান, মানবিকতার নজির কর্মা ট্রাস্টের ● ● ● দেশভাগের স্মৃতি, শিকড়ের টানে দুর্গাপুজো ● পুজো পরিক্রমায় বাংলার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সম্মানিত করল জেআইএমএসএইচ ● ● নামমাত্র সময়ে সিটি স্ক্যান, 'সুরক্ষা' এবার মুকুন্দপুরে ● সব পক্ষই দেবী পক্ষে, আলিমুদ্দিনের চণ্ডীপাঠে! ● From mindfulness to dance, Loreto College puts mental health in focus ● নাচে-গানে স্বপ্নজয়ের কাহিনি, প্রীতম কে নিয়ে তথ্যচিত্র ‘দ্য ড্যান্সিং মার্শিয়ান’ ● ● সম্মানের আসন মাঝে 'মানসীর রূপকথা ' ● দেবীপক্ষের শুরুতেই ৭৫০ জনকে বস্ত্রদান, মানবিকতার নজির কর্মা ট্রাস্টের ● ●

সামিরা হোসেনের গ্রীষ্ম উদযাপন: গ্যাজেবু রেস্টুরেন্ট ও এসআরকে ফিউশন ক্যাফেতে বিশেষ ফুড ফেস্টিভ্যাল

সামিরা হোসেনের গ্রীষ্ম উদযাপন: গ্যাজেবু রেস্টুরেন্ট ও এসআরকে ফিউশন ক্যাফেতে বিশেষ ফুড ফেস্টিভ্যাল

কলকাতা, জুন ২০২৬: উদ্যোক্তা ও রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী সামিরা হোসেন, যিনি গ্যাজেবু রেস্টুরেন্ট এবং এসআরকে ফিউশন ক্যাফে-এর প্রতিষ্ঠাতা, কলকাতার খাদ্যরসিকদের জন্য দুটি বিশেষ গ্রীষ্মকালীন উদ্যোগের ঘোষণা করেছেন। এই উদ্যোগগুলির লক্ষ্য একদিকে যেমন অতিথিদের অনন্য রন্ধন অভিজ্ঞতা উপহার দেওয়া, তেমনি অন্যদিকে পার্ক স্ট্রিটকে শহরের অন্যতম প্রধান খাদ্য গন্তব্য হিসেবে আরও সুদৃঢ় করা।

স্মরণীয় ডাইনিং অভিজ্ঞতা তৈরির একটি স্বপ্ন থেকেই যাত্রা শুরু হয়েছিল। আজ সেই স্বপ্ন সফলভাবে রূপ নিয়েছে দুটি জনপ্রিয় হসপিটালিটি ব্র্যান্ডে, যা ইতিমধ্যেই শহরের অসংখ্য অতিথির প্রশংসা অর্জন করেছে। আতিথেয়তার প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং উৎকৃষ্ট পরিষেবা প্রদানের অঙ্গীকারের মাধ্যমে সামিরা হোসেন এমন কিছু ডাইনিং স্পেস তৈরি করেছেন, যা শুধুমাত্র খাবারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং যেখানে মানুষ একত্রিত হয়, আনন্দ ভাগ করে নেয় এবং স্মরণীয় মুহূর্ত সৃষ্টি করে।

গ্রীষ্মকালীন উদযাপনের অংশ হিসেবে গ্যাজেবু রেস্টুরেন্ট চালু করেছে বহুল প্রতীক্ষিত “গ্যাজেবু গ্র্যাব ডিলস”, যার আওতায় সীমিত সময়ের জন্য সম্পূর্ণ মেনুর ওপর ফ্ল্যাট ২০% ছাড় দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও, সোমবার থেকে শুক্রবার দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত অতিথিরা মকটেল ও শেকসে ‘বাই ১ গেট ১ ফ্রি’ অফার উপভোগ করতে পারবেন। ফলে প্রিয় খাবার ও পানীয় আরও সাশ্রয়ী মূল্যে উপভোগ করার সুযোগ মিলবে।

অতিথিরা রেস্টুরেন্টের জনপ্রিয় রয়্যাল মান্ডি, সুস্বাদু বিরিয়ানি, রসালো কাবাব, হাতে তৈরি ডেজার্ট এবং বিভিন্ন বিশেষ পদ উপভোগ করতে পারবেন এই বিশেষ অফারের সুবিধাসহ।

এই উদ্যোগ সম্পর্কে সামিরা হোসেন বলেন, “গ্যাজেবুর জন্ম হয়েছিল একটি সহজ স্বপ্ন থেকে—একটি এমন জায়গা তৈরি করা, যেখানে ভালো খাবার মানুষকে একত্রিত করবে। আমাদের দরজা দিয়ে প্রবেশ করা প্রতিটি অতিথিই আমাদের গল্পের একটি অংশ হয়ে ওঠেন। ‘গ্যাজেবু গ্র্যাব ডিলস’-এর মাধ্যমে আমরা কলকাতাবাসীকে খাবার, পরিবার এবং একসঙ্গে থাকার আনন্দ উদযাপনের আরও একটি সুযোগ দিতে চেয়েছি।”

এই আনন্দকে আরও বাড়িয়ে তুলতে এসআরকে ফিউশন ক্যাফে চালু করেছে তাদের বিশেষ ‘সামার ম্যাঙ্গো ফেস্টিভ্যাল’। ভারতের সবচেয়ে জনপ্রিয় মৌসুমি ফল আমকে কেন্দ্র করে তৈরি এই সীমিত সংস্করণের উৎসবে থাকছে আমের স্বাদে অনুপ্রাণিত নানা অভিনব পানীয়, ডেজার্ট এবং বিশেষ ফিউশন পদ, যা গ্রীষ্মের আসল স্বাদকে নতুন মাত্রা দেবে।

এ প্রসঙ্গে সামিরা হোসেন বলেন, “আম ছাড়া গ্রীষ্ম অসম্পূর্ণ। ‘ম্যাঙ্গো ফেস্টিভ্যাল’ হলো আমাদের পক্ষ থেকে এই ঋতুকে উদযাপনের এক বিশেষ প্রয়াস, যেখানে সৃজনশীলতা, স্বাদ এবং অনন্য অভিজ্ঞতার সমন্বয় ঘটেছে—যা অতিথিরা শুধুমাত্র এসআরকে ফিউশন ক্যাফেতেই উপভোগ করতে পারবেন।”

বিগত কয়েক বছরে গ্যাজেবু রেস্টুরেন্ট এবং এসআরকে ফিউশন ক্যাফে শুধুমাত্র খাদ্য পরিবেশনের স্থান হিসেবেই নয়, বরং মানুষের আবেগ ও সম্পর্কের অংশ হয়ে উঠেছে। সামিরা হোসেনের দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন হিসেবে এই প্রতিষ্ঠানগুলো এমন পরিবেশ গড়ে তুলেছে, যেখানে জন্মদিন উদযাপিত হয়, বন্ধুত্ব আরও গভীর হয়, পারিবারিক মিলনমেলা ঐতিহ্যে পরিণত হয় এবং প্রতিটি খাবার একটি স্মরণীয় অভিজ্ঞতা তৈরি করে।

গ্যাজেবু গ্র্যাব ডিলস এবং সামার ম্যাঙ্গো ফেস্টিভ্যাল-এর সূচনার মাধ্যমে সামিরা হোসেন আবারও কলকাতার খাদ্যসংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করার এবং অতিথিদের জন্য নতুন ও আকর্ষণীয় অভিজ্ঞতা উপহার দেওয়ার লক্ষ্যে তাঁর যাত্রাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। এই উদ্যোগ খাদ্য, সম্প্রদায় এবং একসঙ্গে থাকার আনন্দকে আরও বৃহত্তর পরিসরে উদযাপন করার এক অনন্য প্রচেষ্টা|
।