Saturday, 24 October 2026
Latest
● দেশভাগের স্মৃতি, শিকড়ের টানে দুর্গাপুজো ● পুজো পরিক্রমায় বাংলার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সম্মানিত করল জেআইএমএসএইচ ● ● নামমাত্র সময়ে সিটি স্ক্যান, 'সুরক্ষা' এবার মুকুন্দপুরে ● সব পক্ষই দেবী পক্ষে, আলিমুদ্দিনের চণ্ডীপাঠে! ● From mindfulness to dance, Loreto College puts mental health in focus ● নাচে-গানে স্বপ্নজয়ের কাহিনি, প্রীতম কে নিয়ে তথ্যচিত্র ‘দ্য ড্যান্সিং মার্শিয়ান’ ● ● সম্মানের আসন মাঝে 'মানসীর রূপকথা ' ● দেবীপক্ষের শুরুতেই ৭৫০ জনকে বস্ত্রদান, মানবিকতার নজির কর্মা ট্রাস্টের ● ● ● দেশভাগের স্মৃতি, শিকড়ের টানে দুর্গাপুজো ● পুজো পরিক্রমায় বাংলার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সম্মানিত করল জেআইএমএসএইচ ● ● নামমাত্র সময়ে সিটি স্ক্যান, 'সুরক্ষা' এবার মুকুন্দপুরে ● সব পক্ষই দেবী পক্ষে, আলিমুদ্দিনের চণ্ডীপাঠে! ● From mindfulness to dance, Loreto College puts mental health in focus ● নাচে-গানে স্বপ্নজয়ের কাহিনি, প্রীতম কে নিয়ে তথ্যচিত্র ‘দ্য ড্যান্সিং মার্শিয়ান’ ● ● সম্মানের আসন মাঝে 'মানসীর রূপকথা ' ● দেবীপক্ষের শুরুতেই ৭৫০ জনকে বস্ত্রদান, মানবিকতার নজির কর্মা ট্রাস্টের ● ●

দুই স্ট্রোকের পর রোবোটিক সার্জারিতে নতুন জীবন

দুই স্ট্রোকের পর রোবোটিক সার্জারিতে নতুন জীবন

কলকাতা: মাত্র ২২ বছর বয়সেই পরপর দু’বার স্ট্রোক। কথা বলা ও খাবার গেলার ক্ষমতা প্রায় হারিয়ে ফেলেছিলেন সদ্য বিবাহিত এক তরুণী। তদন্তে ধরা পড়ে হৃদ্‌যন্ত্রে টিউমার, যার একটি অংশ রক্তনালির মাধ্যমে মস্তিষ্কে পৌঁছে স্ট্রোকের কারণ হয়েছিল বলে চিকিৎসকদের ধারণা। ওপেন হার্ট সার্জারির পরামর্শ দেওয়া হলেও অস্ত্রোপচারের ভয়ে বারবার তা প্রত্যাখ্যান করেন তিনি।

দ্বিতীয় স্ট্রোকের পর তাঁর হৃদ্‌যন্ত্রের কার্যক্ষমতা নেমে আসে ৩৫ শতাংশে। ওজন কমে দাঁড়ায় মাত্র ৩৫ কেজি। রাইলস টিউবের মাধ্যমে খাবার দিতে হচ্ছিল তাঁকে। এই অবস্থায় পরিবারের এক প্রতিবেশীর পরামর্শে যোগাযোগ করা হয় বিএম বিড়লা হার্ট হাসপাতালের কার্ডিওথোরাসিক অ্যান্ড ভাসকুলার সার্জন ডা. সৌম্য গুহর সঙ্গে।

প্রথমে শারীরিকভাবে তাঁকে কিছুটা শক্তিশালী করে তোলা হয় এবং কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে অস্ত্রোপচারের ভয় কাটানোর চেষ্টা করা হয়। এরপর কলকাতায় এনে রোবোটিক হার্ট সার্জারির মাধ্যমে অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচারের সময় দেখা যায়, হৃদ্‌যন্ত্রে একটি নয়, দুটি টিউমার রয়েছে। দুটিই সফলভাবে অপসারণ করা হয়।

ডা. সৌম্য গুহ জানান, রোগীর কম ওজন, দুর্বলতা এবং ছোট রক্তনালির কারণে অস্ত্রোপচারটি ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। কার্ডিওপালমোনারি বাইপাসের সময় বিশেষ পদ্ধতি, NIRS মনিটরিং এবং একাধিক ফিল্ট্রেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।

অস্ত্রোপচারের পর শুরু হয় দীর্ঘ পুনর্বাসন। ফিজিওথেরাপি, স্পিচ ও সোয়ালোয়িং থেরাপি এবং পুষ্টিগত সহায়তায় ধীরে ধীরে ফিরছে তাঁর স্বাভাবিক জীবন। বর্তমানে তিনি নিজে দাঁড়াতে ও হাঁটতে পারছেন, কয়েকটি শব্দ বলছেন এবং রাইলস টিউবের পরিবর্তে অল্প পরিমাণে নরম খাবার খেতে পারছেন। খুব শিগগিরই নিজের পায়ে বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।