Saturday, 24 October 2026
Latest
● দেশভাগের স্মৃতি, শিকড়ের টানে দুর্গাপুজো ● পুজো পরিক্রমায় বাংলার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সম্মানিত করল জেআইএমএসএইচ ● ● নামমাত্র সময়ে সিটি স্ক্যান, 'সুরক্ষা' এবার মুকুন্দপুরে ● সব পক্ষই দেবী পক্ষে, আলিমুদ্দিনের চণ্ডীপাঠে! ● From mindfulness to dance, Loreto College puts mental health in focus ● নাচে-গানে স্বপ্নজয়ের কাহিনি, প্রীতম কে নিয়ে তথ্যচিত্র ‘দ্য ড্যান্সিং মার্শিয়ান’ ● ● সম্মানের আসন মাঝে 'মানসীর রূপকথা ' ● দেবীপক্ষের শুরুতেই ৭৫০ জনকে বস্ত্রদান, মানবিকতার নজির কর্মা ট্রাস্টের ● ● ● দেশভাগের স্মৃতি, শিকড়ের টানে দুর্গাপুজো ● পুজো পরিক্রমায় বাংলার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সম্মানিত করল জেআইএমএসএইচ ● ● নামমাত্র সময়ে সিটি স্ক্যান, 'সুরক্ষা' এবার মুকুন্দপুরে ● সব পক্ষই দেবী পক্ষে, আলিমুদ্দিনের চণ্ডীপাঠে! ● From mindfulness to dance, Loreto College puts mental health in focus ● নাচে-গানে স্বপ্নজয়ের কাহিনি, প্রীতম কে নিয়ে তথ্যচিত্র ‘দ্য ড্যান্সিং মার্শিয়ান’ ● ● সম্মানের আসন মাঝে 'মানসীর রূপকথা ' ● দেবীপক্ষের শুরুতেই ৭৫০ জনকে বস্ত্রদান, মানবিকতার নজির কর্মা ট্রাস্টের ● ●

শহরে সাইকেল চালালে জরিমানা?

শহরে সাইকেল চালালে জরিমানা?

তাপস রায়,কলকাতা:২০১৮ সালে ৩রা জুন তারিখটিকে 'বিশ্ব সাইকেল দিবস' হিসেবে ঘোষণা করেছিল রাষ্ট্রপুঞ্জ। উদ্দেশ্য ছিল সহজ, সাশ্রয়ী পরিবেশবান্ধব যাতায়াতের মাধ্যম হিসেবে সাইকেলের গুরুত্ব নতুন করে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরা। কার্বনের নিঃসরণ কমাতে পরিবহন ব্যবস্থায় সমতা আনতে এবং বাসযোগ্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শহর গড়ে তুলতে সাইকেলের ব্যাপক ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিন পালন করতে পারে এই ছিল মূল বার্তা।ভারতের মহানগরগুলির মধ্যে কলকাতায় সাইকেলে যাতায়াতের হার সবচেয়ে বেশি। কিন্তু বাস্তবত, শহরের পরিবহন পরিকল্পনা সড়ক পরিকাঠামো এখনও মূলত ব্যক্তিগত মোটরগাড়িকেন্দ্রিক। আজ যখন সারা বিশ্ব নবম বিশ্ব সাইকেল দিবস উদযাপন করতে তখন কলকাতার ৬০টিরও বেশি প্রধান সড়ক ও রাস্তায় এখনও সাইকেল চলাচলে সরকারি নিষেদ্ধাজ্ঞা রয়ে গেছে।অন্যদিকে, কলকাতা শহরের গড় যাতায়াতের দূরত্ব বেশ কম ৪/৫ কিলোমিটারের মধ্যে। এই কারণে পরিবহনের সুবিধাজন মাধ্যম হিসেবে সাইকেলের যথেষ্ট উজ্জ্বল সম্ভাবনা আছে এই শহরে। এছাড়া ছড়িয়ে থাকা নানারকম গণপরিবহনের পরিপুরক ফিডার হিসেবেও সাইকেল যথেষ্ট কার্যকরী। ছোটো দূরত্বের যাত্রায় সাইকেলের ব্যবহার বাড়ানো পেট্রোলিয়ামের পরিমিত ব্যবহার সংরক্ষণের ক্ষেত্রেও একটি সদর্থক পদক্ষেপ।শহরে সাইকেল বান্ধব প্রকল্প অনেক জটিল সমস্যা সমাধানের পথ খুলে দিতে পারে। প্রয়োজন সরকার ও প্রশাসনের পক্ষ থো জনপ্রিয়, জ্বালানী-নিরপেক্ষ ও নিখরচার যাতায়াতের এই মাধ্যমটিকে সুনির্দিষ্টভাবে নীতিগত স্বীকৃতি দেওয়া।সাইকেল নিষেধাজ্ঞার দীর্ঘদিন ধরে কলকাতার সাইকেলচালকদের মুখোমুখি হতে হয়েছে বেআইনি 'জরিমানা' ও হয়রানির। অন্যায় বন্ধ হোক। বিশ্ব সাইকেল দিবস উপলক্ষে রাজ্যের নবনির্বাচিত সরকারের কাছে এই প্রত্যাশা আমরা জানাতেই পারি।আমরা নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলির প্রস্তাব করছি;১) কলকাতা শহরে সাইকেল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা২) সাইকেল আরোহীদের হয়রানি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং বেআইনি জরিমানা সম্পূর্ণ বন্ধ করা৩) নগর-পরিবহন পরিকল্পনার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে সাইকেলকে অন্তর্ভুক্ত করতে তোলা। অ-মোটর চালিত যানবাহনের জনসুনির্দিষ্ট নীতিপ্রণয়ন ও প্রয়োগ।৪) গলি ও ছোটো রাস্তাগুলিতে সাইকেলকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং বড় রাস্তাগুলিতে সুরক্ষিত সাইকেল লেন বানানো। তৈরিকরতে হবে শহরজুড়ে সাইকেল-নেটওয়ার্ক।৫) মেট্রো স্টেশন, রেল স্টেশন, বাস স্ট্যান্ডে সাইকেল পার্কিং-এর জন্য গড়ে তুলতে হবে আধুনিক সাইকেল-পার্কিং ব্যবস্থা।৬) সাইকেলের ব্যবহার বাড়ানোর জন্য সরকারকে উৎসাহ দিতে হবে, ইন্সেটিভ দিতে হবে। প্রচার বাড়াতে হবে।আমরা আশা করি, বর্তমান সরকার অতীতের সরকারের ভুল সিদ্ধান্তগুলি অতিক্রম করে দীর্ঘদিনের এই সমস্যাগুলিকে প্রয়োজ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন। সাইকেলকে তার প্রাপ্য সম্মান ও নীতিগত সমর্থন দেওয়া কলকাতার পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য সামগ্রিক বাসযোগ্যতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ হবে