কলকাতা :ধনিয়াখালীর হুগলি তে অবস্থিত তপশিল জাতি আদিবাসী প্রাক্তন সৈনিক কৃষি বিকাশ শিল্প কেন্দ্র গত চার দশক ধরে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় কৃষি, গ্রামীণ উন্নয়ন ও সামাজিক কল্যাণমূলক নানা কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। সংস্থার দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি সহযোগিতার অভাবে তাদের বহু উন্নয়নমূলক প্রকল্প কাঙ্ক্ষিত গতি পায়নি। বিশেষ করে ২০১৫ সাল থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দপ্তর থেকে প্রেরিত একাধিক চিঠি ও প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক স্তরে যথাযথ গুরুত্ব না পাওয়ায় বেশ কিছু পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হতে পারেনি। তবুও সীমিত সামর্থ্য ও নিজস্ব উদ্যোগে সংস্থা প্রান্তিক মানুষের উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ চালিয়ে গেছে।

সংস্থার মতে, বর্তমান সময়ে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের সমন্বয়ের ফলে উন্নয়নমূলক কাজের গতি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় সরকারি সহযোগিতা পাওয়া যাবে বলে তারা আশাবাদী। এতে সংস্থার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের মধ্যেও নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। সংস্থার সম্পাদক সৌমেনের নেতৃত্বে বিভিন্ন প্রকল্পকে আরও বিস্তৃত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং আগামী দিনে আরও বৃহত্তর পরিসরে কাজ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়নের ক্ষেত্রে সংস্থার উল্লেখযোগ্য কর্মকাণ্ডের মধ্যে রয়েছে মিশ্র কৃষিকাজ (Composite Agriculture Farming), প্রাকৃতিক কৃষিকাজ (Natural Farming), মৎস্যচাষ, বায়ো-ফ্লক প্রযুক্তি, ন্যানো বাবল প্রযুক্তি (Nano Bubble Technology), লাক্ষা চাষ, ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন, ছাগল পালন, পশুপালন, মৌমাছি পালন, ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ কর্মসূচি, স্বচ্ছ ভারত অভিযানসহ একাধিক জনকল্যাণমূলক প্রকল্প। সংস্থার দাবি, এই সব কর্মসূচির মাধ্যমে গত চল্লিশ বছরে রাজ্যের বহু সাধারণ ও প্রান্তিক মানুষের কাছে উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

সংস্থা জানিয়েছে, আগামী আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত থাকা বিভিন্ন প্রকল্প পুনরায় শুরু করা হবে। সংস্থার সঙ্গে যুক্ত কর্মীরাও নতুন উদ্যম ও দ্বিগুণ উৎসাহ নিয়ে মাঠে নেমে মানুষের উন্নয়ন ও আত্মনির্ভরতার লক্ষ্যে কাজ করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।উল্লেখ্য, এই লেখাটি আপনার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদপত্রের ভাষায় পরিমার্জিত করা হয়েছে। যেখানে সরকারি নীতি বা প্রশাসনিক ভূমিকা সম্পর্কে দাবি করা হয়েছে, সেগুলোকে সংস্থার বক্তব্য বা দাবিরূপে উপস্থাপন করা হয়েছে।

