ভর্তুকির রাজনীতিতে ক্ষুদ্র শিল্পে সংকট, উদ্বেগ বেকারি মালিকদের
তাপস রায়,কলকাতা, ২৩ আগস্ট: শিরোনামে লেখা দেখেপ্রাণরুটি জায়গায় ভুলবশতঃ হয়েছে ভাবতে পারেন।কিন্তু সত্যিই কথাটি হোল হোল যে পাউরুটি আমাদের স্বাদ পূরণ করে।সেই পাউরুটিই আবার দেশের বহু মানুষের প্রাণ ধারণের জন্য অর্থের সংস্থান করে। তাই শব্দটি খানিকটা ওই ভাবনা থেকেই এসেছে।শিরোনাম নাম যাই হোক দেশের ভর্তুকি-নির্ভর রাজনীতির ধারা অব্যাহত থাকলে ছোট ও ক্ষুদ্র শিল্প আরও গভীর সংকটে পড়বে এবং অর্থনীতির গতিও শ্লথ হতে পারে—এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করা হল পশ্চিমবঙ্গ বেকার্স অ্যাসোসিয়েশনের ২৬তম বার্ষিক রাজ্য সম্মেলনে। রবিবার কলকাতার মিলন মেলায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বেকারি শিল্পের সঙ্গে যুক্ত প্রায় ২০০ প্রতিনিধি অংশ নেন।

সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন হাওড়া চেম্বার অফ কমার্সের চেয়ারম্যান ও সমাজসেবী শংকর সান্যাল, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস, ক্ষুদ্র শিল্পের আধিকারিক দেবদত্ত ব্যানার্জি, সংগঠনের সভাপতি বজরং প্রসাদ আগরওয়াল, সহ-সভাপতি শেখ আবু জাফর ও অমিতাভ জানা, সম্পাদক নূর হোসেন মল্লিক এবং সিইও আরিফুল ইসলাম-সহ বিশিষ্টরা।

বক্তারা অভিযোগ করেন, রাজ্যে ক্ষুদ্র শিল্পের জন্য ‘সিঙ্গেল উইন্ডো’ লাইসেন্সিং ব্যবস্থা চালুর কথা বলা হলেও এখনও তা কার্যকর হয়নি। ভারী শিল্পের সঙ্গে ক্ষুদ্র শিল্পের বিদ্যুৎ মাসুলের ব্যবধান কমিয়ে সমতা আনার দাবিও ওঠে।

সম্মেলনে জানানো হয়, বেকারি শিল্পে মুনাফার হার ইতিমধ্যেই ৫ থেকে ৭ শতাংশ কমেছে। এর ফলে শিল্পের সঙ্গে যুক্ত বহু মানুষ আর্থিক সংকটে রয়েছেন। এর উপর অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা চাপানো হলে বহু বেকারি কারখানা বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।

সম্মেলনে ‘জীবন কৃতি’ সম্মান প্রদান করা হয় সোনারপুরের মাদার বেকারির মালিক হাজি শেখ আবুল খায়েরকে। বর্তমানে এই শিল্পের অস্তিত্ব রক্ষা বা তার সঙ্গে জড়িয়ে।

থাকা বহু জীবন যাপনের ধারা সহ অতীতে ঘটে যাওয়া এই শিল্পের উপর আসা নানান রাজনৈতিক কিছু চাপান উতোর এর কথা খুব সুন্দর ভাবে উপস্থিত সংগঠনের সাথে যুক্ত সাধারণ মানুষ ,অন্যান্য বিশিষ্ট জনের সামনে তুলে ধরেন অনুষ্ঠানের সঞ্চালক দক্ষ প্রশাসক,সাংবাদিক সংগঠনের আধিকারিক আরিফুল ইসলাম।

