
এই কর্মসূচিতে সংগঠনের প্রধান আহ্বায়ক সঙ্গীতা মহান্তি, প্রলয় নাথ, গোবিন্দ দে-সহ অন্যান্য সদস্য-সদস্যারা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। তাঁদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও আন্তরিক সহযোগিতায় উদ্যোগটি সফল হয়ে ওঠে।

সঙ্গীতা মহান্তি জানান, সমাজের পিছিয়ে পড়া ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই সংগঠনের মূল ভাবনা। সেই লক্ষ্যেই সারা বছর ধরে বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকেন সদস্যরা। কখনও বৃদ্ধাশ্রমে, কখনও অনাথ আশ্রমে পৌঁছে নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তাঁরা।

দেবীপক্ষের প্রথম দিনেই এই উদ্যোগের মাধ্যমে ‘১৬ আনা বাঙালি’ বুঝিয়ে দিল, উৎসবের আনন্দ তখনই পূর্ণতা পায়, যখন তার আলো পৌঁছে যায় সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের কাছে। মানবিকতা ও সহমর্মিতার এই প্রয়াস উৎসবের আবহে এক সুন্দর সামাজিক বার্তা বহন করল।
